এখানে দেখা যাচ্ছে, যারা চূড়ান্তভাবে ভর্তি হয়ে মাইগ্রেশনের অপেক্ষায় আছে তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। কারণ অনেকেই তাদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেনি। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাদের সুযোগ দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। অন্যদিকে তাদের থেকে কম নম্বরধারীরা ভালো বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবে, যা রীতিমতো অন্যায় করা হবে উচ্চ নম্বরধারীদের সঙ্গে। তা ছাড়া গুচ্ছে চূড়ান্ত ভর্তির পরও মাইগ্রেশন হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের দুইটা থেকে তিনটা জায়গায় ভর্তি হতে হয়েছে, যা আর্থিক ক্ষতি। ফলে দেখা যাচ্ছে, গুচ্ছের মাধ্যমেও ভোগান্তি দূর করা যাচ্ছে না। গুচ্ছ কর্তৃপক্ষের আরেকবার চিন্তা করে দেখা উচিত, আগের মতোই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মাইগ্রেশন চালু করা যায় কিনা? না হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কয়েকশ শিক্ষার্থী। বিষয়টি ভাবা দরকার। শিক্ষার্থী, দর্শন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
গুচ্ছ পরীক্ষায় ভোগান্তি নয়
দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি কার্যক্রম হচ্ছে গুচ্ছ। গুচ্ছ পরীক্ষা নেওয়া উদ্দেশ্য, যাতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমে। কিন্তু প্রতিবারই দেখা যাচ্ছে নিত্যনতুন সমস্যার উদ্ভব হচ্ছে। এবার কেন্দ্রীয়ভাবে মেরিট মাইগ্রেশন দেওয়া হয়েছিল চারটি। অন্যদিকে যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুচ্ছের অধীন না, সেগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে আট থেকে দশটি মেরিট দিয়েছে। কিন্তু গুচ্ছ চারটি মেরিট দিয়েই ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কার্যক্রম চলাকালে অনেক শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের বিষয় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পেয়ে তারা সেখানে চলে গেছে। ফলে সেই আসনগুলো ফাঁকা হয়ে যায়। আয়োজক কমিটি সেই আসনগুলো ফাঁকা রাখতে চায়নি। ফলে তারা বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়– চূড়ান্তভাবে যারা কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে, তাদের আর অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশন দেওয়া হবে না। শুধু অপেক্ষমাণদের সুযোগ দেওয়া হবে।
.png)
































কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন