আমাদের উচ্চতা সাধারণত বংশগত, হরমোন আর বয়সের ওপর নির্ভর করে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ১৮-এর পর মানুষের উচ্চতা তেমন বাড়ে না। আবার যদি স্পাইনাল কর্ডে কোনো চোট থাকে সেখান থেকেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে উচ্চতায়। যেহেতু উচ্চতা সৌন্দর্যবর্ধক একটি গুণ তাই যাদের উচ্চতা কম তারা যেন ১৮ এর পরও নিজের উচ্চতা বৃদ্ধি করতে পারে তা নিয়ে বিশেষ কিছু টিপস থাকছে আমাদের আজকের আয়োজনে।
২) খাবার হিসেবে অবশ্যই সুষম খাবারকে বেছে নিন। এক্ষেত্রে ডায়েট লিস্টে হাই প্রোটিন, শর্করা, ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন ডি কে প্রাধান্য দিতে হবে। এইসব পুষ্টি হাড়ের ঘনত্ব বাড়িয়ে শারীরিক গ্রোথকে বাড়িয়ে তোলে।
৩) চিকিৎসকরা বলছেন, প্রতিদিনের ব্যায়ামের অভ্যাস আপনার গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে কাজ করে। তাই দড়ি লাফ, জাম্পিং, বাস্কেটবল, ভলিবল, সাইকেল চালানো, নিয়মিত ৩ মিনিট ঝুলে থাকা, যোগাসন করা এক্ষেত্রে অনেক কার্যকরী।
৪) আমরা যে খাবার খাই তা ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রাথমিক উৎস। এগুলো আমাদের বেড়ে উঠতে এবং সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। কিন্তু কখনো কখনো খাবার আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে না। তাই পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা মেটাতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনি ডায়েটে সাপ্লিমেন্ট যোগ করতে পারেন। কেননা সাপ্লিমেন্টস উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৫) পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়া কিংবা ডেস্কে মাথা রেখে ঘুমনোর অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এতে আপনার শরীরের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
৬) চলাফেরা, বসায় আপনার শারীরিক ভঙ্গি সোজা রাখুন। এর অন্যথা হলে ঘাড়, কোমর ও পিঠে মারাত্মক ব্যথা অনুভূত হয় যা ধীরে ধীরে আপনার উচ্চতাকে আরও কমিয়ে দেবে।
৭) আপনাকে দিনের বেশির ভাগ সময়ই যদি কম্পিউটার, ল্যাপটপের সামনে বসে থাকতে হয় তাহলে কাজের মাঝে একটু বিরতি নিন। নিয়মিত এই অভ্যাস অনুশীলনে আপনার হাইট আগের তুলনায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
সূত্র: এই সময়, বোল্ড স্কাই
.png)
































কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন